ঢাকাশনিবার , ১৫ জানুয়ারি ২০২২
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ২৬ বছর নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক ডাকবাংলা ডট কম
জানুয়ারি ১৫, ২০২২ ৯:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল থেকে শনিবার শেরপুরে গ্রামের বাড়িতে ফিরে যান চাঁন
স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কারণে ঝগড়া। এর জেরেই সংসারের মায়া ত্যাগ করে বাড়ি ছেড়েছিলেন সেই ১৯৯৬ সালের ১৬ জানুয়ারি। এর পর নানা স্থানে খোঁজ করেছে পরিবার। তবে সন্ধান পাওয়া যায়নি। আদৌ বেঁচে আছেন কি না তাও জানতেন না কেউ। এরপর দীর্ঘ ২৬ বছর পর এসে খোঁজ পাওয়া গেছে তাঁর।

বলা হচ্ছে মকুমুল ইসলামের কথা। সবার কাছে তিনি পরিচিত চাঁন মিয়া নামে। তাঁর বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের খাজুরিয়া পাড়ায়। বাবার নাম মহিদুল ইসলাম। দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা চাঁন মিয়া।

এরপর গত ১০ ডিসেম্বর ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় সড়কের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে ফেনীর স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক ও মানবিক সংগঠন ‘সহায়’। হাসপাতালে ভর্তির পরও নিজের পরিচয় সম্পর্কে মুখ খোলেননি ওই ব্যক্তি। একপর্যায়ে সহায়ের কর্মীদের পীড়াপিড়িতে আংশিক পরিচয় দেন।

ওই ব্যক্তির ছবি ও আংশিক পরিচয় নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করে সহায়। সেই সূত্র ধরে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে চাঁন মিয়া বলে চিনতে পারেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। গত ১৩ জানুয়ারি মুঠোফোন ও ভিডিও কলে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হন তাঁরা। এরপর আজ শনিবার চাঁন মিয়ার ছোট ভাই মো. শাহজাহান, মেয়ে আঞ্জুমান আরা ও চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলাম ফেনী হাসপাতালে পৌঁছে সহায়ের প্রধান সমন্বয়ক মঞ্জিলা মিমির সঙ্গে কথা বলেন এবং চাঁন মিয়ার সঙ্গে দেখা করেন।

এ নিয়ে আঞ্জুমান আরা জানান, তাঁর বাবা মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর মা রিক্তা আক্তার শেরপুর ভূমি অফিসে একটি ছোট চাকরি নেন। মায়ের আয়েই এত দিন তাঁদের সংসার চলেছে। গত বেশ কিছু দিন ধরে তাঁর মাও অসুস্থ।

এদিকে শনিবার বিকেলেই চাঁন মিয়াকে সহায়ের মাধ্যমে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেরপুরের গ্রামের বাড়িতে ফিরে যান তিনি।