ঢাকাশুক্রবার , ১৪ জানুয়ারি ২০২২
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

এসেছিলেন কম্বল নিতে, পাবেন ঘর

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক ডাকবাংলা ডট কম
জানুয়ারি ১৪, ২০২২ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বেশ কয়েক বছর ধরেই ব্যক্তিগত টাকায় নিজ সংসদীয় এলাকার কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় প্রতিবছর কম্বল বিতরণ করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক (সংসদ সদস্য)। তিনি সংদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগ থেকেই কম্বল বিতরণ করছেন।

এ বছরও তিনি ইতিমধ্যেই ওই দুই উপজেলাতেই কম্বল বিতরণ শুরু করেছেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়্যালি কথা বলেন মন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি কম্বল নিতে আসা অসহায় মানুষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের কথা শুনেন।
৮ জানুয়ারি কম্বল বিতরণ হয় আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নে। সেদিন এ উপলক্ষে নয়াদিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয় অসহায় শীতার্তরা। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়্যালি যোগ দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

অনুষ্ঠান চলাককালে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ‘মাইকের মাউথ’ দেওয়া হয় রাবেয়া খাতুন নামে এক নারীর হাতে। ওই নারী কথা বলার শুরুতেই মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমার কেউ নাই দুনিয়ার মইদ্দে। আমি আফনের লগে কতা কইতাম চাই।’ মন্ত্রী উত্তর দেন, আপনার কেউ নাই আমি তো আছি।

আবেগাপ্লুত রাবেয়া খাতুন ‘মাইকের মাউথ’ হাতে নিয়ে বলতে থাকেন, আমার ঘর নাই দুয়ার নাই। কথা থামিয়ে দিয়ে মন্ত্রী ঘর দেওয়ার কথা বলেন তাৎক্ষণিকভাবে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তাকজিল খলিফা ওই নারীর নাম, ঠিকানা জানতে চান। মন্ত্রী তখন ওই নারীর নাম, ঠিকানা লিখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনওকে) নির্দেশ দেন। এ সময় উপস্থিত লোকজন করতালি মাধ্যমে বিষয়টিকে স্বাগত জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাবেয়া খাতুন মোগড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মোগড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর প্রথম সংসারে একটি মেয়ে রয়েছে, যাকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। পরে রাবেয়া খাতুনের বিয়ে হলেও স্বামী কিংবা সন্তানেরা দেখভাল করেন না। প্রায় দুই শতক জায়গায় একটি কুঁড়ে ঘরে একা থাকেন তিনি।

৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার (সদস্য) মো. সাঙ্গু মিয়া জানান, ওই নারী অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। জায়গা থাকলে থাকার মতো উপযুক্ত ঘর নেই। এ অবস্থায় মন্ত্রীর কাছে বলার পর তাৎক্ষণিকভাবে ঘর করে দেওয়ার কথা বলার ওই নারীর খুব উপকার হলো।