ঢাকামঙ্গলবার , ১১ জানুয়ারি ২০২২
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

বাস ট্রেন লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক ডাকবাংলা ডট কম
জানুয়ারি ১১, ২০২২ ১১:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। আসনসংখ্যার অর্ধেক যাত্রী বহনের নামে ভাড়া নৈরাজ্য ও সরকারি সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে অতিরিক্ত যাত্রী বহন ঠেকাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষসহ (বিআরটিএ) সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে কঠোর অবস্থানে থাকারও আহ্বান জানিয়েছে নাগরিক সংগঠনটি।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজী মো. শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যুক্ত বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন করে কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহনে ১৩ জানুয়ারি থেকে আসনসংখ্যার অর্ধেক যাত্রী পরিবহন এবং মুখে মাস্ক পরার নির্দেশনা জারি করেছে।
এ ছাড়া চালক ও চালকের সহকারীসহ সব পরিবহনকর্মীকে দুই ডোজ করোনাপ্রতিরোধী টিকা গ্রহণকারী হতে হবে বলে সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে। কিন্তু নিকট অতীতে দেখা গেছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালে সরকার এমন নির্দেশনা দিলেও সব ধরনের গণপরিবহনই অতিরিক্ত (৫০ শতাংশের বেশি) যাত্রী বহন করেছে। এমনকি মাস্কবিহীন যাত্রীদেরও বহন করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে বাস ও টেম্পোতে অর্ধেক যাত্রী বহনের নামে পরিবহনকর্মীরা ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া আদায় করেছেন। এতে সাধারণ যাত্রীদের চরম আর্থিক খেসারত দেওয়ার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হয়েছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কভিড-১৯-এর ডেল্টা ভেরিয়েন্টের (ধরন) পাশাপাশি এবার অতি দ্রুত সংক্রমণশীল ওমিক্রন ধরনও বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে এবং শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে অতীতের চেয়ে এবার অধিকতর সতর্কতা অপরিহার্য। সুতরাং এ বিষয়ে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন জাতীয় কমিটির নেতারা।