ঢাকাসোমবার , ২০ ডিসেম্বর ২০২১
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ গণভবন থেকে গতকাল ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক ডাকবাংলা ডট কম
ডিসেম্বর ২০, ২০২১ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রেখেই আগামী দিনে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার কূটনৈতিক উৎকর্ষের জন্য বঙ্গবন্ধু পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সবার সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকুক এবং আর্থ-সামাজিক উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।’

পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি ওই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম (অব.) ও ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএইর) সাবেক রাষ্ট্রদূত সাইদ মোহাম্মদ আল মেহরিকে কূটনৈতিক উৎকর্ষের জন্য বঙ্গবন্ধু পদক দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, খুরশেদ আলম দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ ও সুনীল অর্থনীতি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিজয়ের অভিযাত্রায় অত্যন্ত পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইউএইর সাবেক রাষ্ট্রদূত সাইদ মোহাম্মদ আল মেহরি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো নিবিড় করতে এবং শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে সমুদ্রসীমা সমস্যার সমাধান করেছে। এই সফলতার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সমস্যা সমাধানে জাতির পিতার উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও কিছু না করায় জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়া সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সমুদ্রসীমা বাস্তবায়ন এবং পরের বার ক্ষমতায় এসে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়।

এই বিজয়ের মাসে দেশে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমারের নির্যাতনে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরও তাঁর সরকার আশ্রয় দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, বিশ্বের সব মানুষের শান্তি ও মানবাধিকার যেন রক্ষা পায়। এ ক্ষেত্রে আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করি। বাংলাদেশ সমৃদ্ধ ও উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। এটি আমাদের নীতি ও আদর্শ। জাতির পিতা আমাদের যে আদর্শ ও সংবিধান দিয়ে গেছেন, সেখানে আমাদের চার মূলনীতি ছিল—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। সেই নীতি মেনেই দেশের সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সম্পাদিত ‘শেখ হাসিনা বিমুগ্ধ বিস্ময়’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার জন্মদিনে কোনো বই কিংবা আমার কোনো চাওয়া পাওয়া নাই। আমি কিছুই চাই না।’

তিনি বলেন, ‘আমি একটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি—যত কষ্ট, আঘাত, বাধা আসুক না কেন, যে স্বপ্ন নিয়ে আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন, তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই হবে।’

মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও বিভিন্ন মিশন এবং সংস্থার প্রধানরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পদক বিজয়ী ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহিরয়ার আলম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, দলের কেন্দ্রীয় নেতা এবং পার্বত্যচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ বক্তব্য দেন।