1. admin@doinikdakbangla.com : Admin :
প্রবাস আয় বাড়াতে উদ্যোগ নিন » দৈনিক ডাক বাংলা
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন

প্রবাস আয় বাড়াতে উদ্যোগ নিন

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট, দৈনিক ডাক বাংলা ডটকম
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ বার পঠিত

বিশ্বব্যাপী করোনার প্রকোপ যখন তুঙ্গে ছিল, তখনো বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাস আয় এসেছে অনেক বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা যায়, ২০২০ সালের জুলাই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৯ কোটি ডলারের বেশি। এখন করোনা পরিস্থিতি ভালো হলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ কমছে। গত অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৪ কোটি ডলার। প্রবাস আয় এভাবে কমতে থাকার জন্য মূলত দায়ী করা হচ্ছে হুন্ডিকে। অন্যদিকে বিদেশে বাংলাদেশের কর্মী যাওয়ার হারও অনেক কমেছে। ২০১৭ সালে ১০ লাখের বেশি কর্মী বিদেশে যান। পরের দুই বছরও এই সংখ্যা ছিল সাত লাখের কাছাকাছি। করোনায় আন্তর্জাতিক যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ২০২০ সালে এই সংখ্যা নেমে যায় দুই লাখ ১৭ হাজার ৬৬৯ জনে। চলতি বছর সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশে গেছেন মাত্র তিন লাখ ১৭ হাজার ১১ জন। এটিও প্রবাস আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। প্রবাস আয় কমার জন্য বিশেষজ্ঞরা আরো কিছু কারণকে দায়ী করছেন, যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।

প্রবাস আয় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর কল্যাণেই দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি দ্রুত বেড়ে যাচ্ছিল। এখন সেই বৃদ্ধি কিছুটা হলেও হোঁচট খাবে। তা ছাড়া দেশের বিপুল বেকারত্ব কমাতেও বৈদেশিক কর্মসংস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার পরও এই খাতটি নিয়ে এত অবহেলা কেন? ২০১৮ সালে বিদেশে কর্মী প্রেরণের সংখ্যা তিন লাখ কমে যাওয়ার পরপরই ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ২০১৯-এও একই ধারা অব্যাহত থাকতে দেখা যায়। করোনার সময় সংখ্যা কমে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সে সময় যোগাযোগ ও প্রস্তুতি যথেষ্ট থাকলে এখনো কর্মী প্রেরণের গতি এতটা স্তিমিত থাকত না বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশের কর্মীদের চাহিদা রয়েছে এমন অনেক দেশেই এখন কর্মী যাওয়া বন্ধ রয়েছে। দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা জোরদার করতে হবে। দ্রুত কর্মী পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। করোনাকালে চাকরি হারিয়ে অনেক কর্মী দেশে ফিরেছেন। আবার অনেকে দেশে এসে আবার সেসব দেশে যেতে না পারায় চাকরি হারিয়েছেন। তাঁদের কিভাবে আবার বিদেশে পাঠানো যায়, তা-ও দেখতে হবে। রেমিট্যান্স প্রবাহের ধস ঠেকাতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক ও খোলাবাজারে ডলারের দামে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এ কারণে বিদেশ থেকে অর্থ প্রেরণকারীদের কাছে এখন হুন্ডিতে টাকা পাঠানো অনেক বেশি লাভজনক। এ ক্ষেত্রে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বৈধ উপায়ে অর্থ প্রেরণকে উৎসাহিত করতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থানের দিক থেকে পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ যথেষ্ট পিছিয়ে আছে। তার একটি প্রধান কারণ দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে আমাদের পিছিয়ে থাকা। এ ক্ষেত্রে আরো উদ্যোগী হতে হবে। নতুন নতুন বাজার অন্বেষণে আমাদের আরো তৎপর হতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডাক বাংলা

Theme Customized BY LatestNews