ঢাকামঙ্গলবার , ৯ মার্চ ২০২১
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

পর্তুগালে অবসর সময় পার করছেন রাইডাররা!

উপ-সম্পাদক, শহীদ আহমদ
মার্চ ৯, ২০২১ ২:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

করোনা মহামারি যখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এবং সেই মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন পদেক্ষেপ গ্রহন। ইউরোপের দেশ পর্তুগাল তারই ধারাবাহিকতায় প্রথম থেকেই বেশ কিছু জরুরী পদেক্ষেপ গ্রহন করে।যার ফলে ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন, ইতালী,ফান্স,স্পেইন সহ অনেক দেশ তাদের করেনা আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যায় হিমশিম খায় সে তুলনায় পর্তুগালে করোনায় আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিলো নিতান্তই কম।

দীর্ঘ লকডাউন আর জরুরী অবস্হা চলাতে অনেক কর্মজীবী মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

করোনার প্রথম ঢেউ যখন আসে তখন থেকে রেস্তুরাগুলো তাদের ডাইনিং সার্ভিস বন্ধ করে শুধু টেকও সার্ভিস চালু করে । সেই সময় থেকে অনেকেই তাদের রুটি রুজির ব্যবস্থা হিসাবে ডেলিভারির কাজ করে আসছেন। যাদের লাইসেন্স আছে তারা মটর সাইকেল বা কার দিয়ে। যাদের লাইসেন্স নেই তারা ইলেক্ট্রনিক সাইকেল দিয়ে কাজ শুরু করেন।

করোনার প্রথম ধাপে লোকজনে মধ্যে একটু বেশী আতঙ্ক কাজ করায় ঘরে বসে অনলাইনে তাদের খাবারদাবার যাবতীয় জিনিসপাতি অর্ডার দিতে সাচন্ধবোধ করলেও।

হঠাৎ দীর্ঘদিন ঘরে বসে থেকে তাদেরও ধর্য্যের বাঁধভাঙ্গা। তাই একটু দিন ভালো হলেই বাহিরে বাহির হয়ে হাটা চলা শারিরিক চর্চা,প্রয়োজনীয় বাজার হাট নিজে নিজে সেরে নেন।

তাই করোনার দ্বিতীয় ধাপে এসে তাদের অনলাইনে অর্ডার করা বেশ ভাটা পড়েছে। পূর্বে যখন খানার সময় গুলো অর্ডার দিয়ে কাভার করা যেতো না ।এখন এমনও হয় অনেকে ৪/৫ ঘন্টা অনলাইনে থেকেও কোনো ধরনের অর্ডার ই পান না। আবার কেহ কেহ ১/২ টি ছোট অর্ডার দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অনিশ্চিত এর উপর বসে থাকেন।

এমতাবস্থায় অনেকেই থাকিয়ে আছে কবে পরিস্হিতি একটু স্বাভাবিক হবে। আর সব কিছু খুলে দিবে। তাহলে আবার তাদের পূর্বের কাজ এ যোগ দিবেন।