1. admin@doinikdakbangla.com : Admin :
টিকা নিলেও মাস্ক পরতে হবে,হাত ধুয়ে যেতে হবে » দৈনিক ডাক বাংলা
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

টিকা নিলেও মাস্ক পরতে হবে,হাত ধুয়ে যেতে হবে

অনলাইন ডেস্ক,দৈনিক ডাক বাংলা ডটকম
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১১৩ বার পঠিত
(ফাইল ফটো)

করোনাভাইরাসের টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘মাস্কটা ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া অব্যাহত রাখতে হবে, মানে টিকা যারা নিয়েছে তাদেরও। এটা মনে করলে হবে না যে আমি টিকা নিয়েছি, তাই একদম নিরাপদ। সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানান। তিনি গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদের কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ৪০ বছর বয়সীদেরও টিকার আওতায় আনার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া টিকার নিবন্ধনপ্রক্রিয়া আরো সহজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী টিকা প্রদানকে আরো একটু সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, এখন আমার মনে হয় একটু ওপেন করে দিয়ে তাড়াতাড়ি যত দেওয়া যেতে পারে। কারণ একবার দিয়ে আবার নেক্সট ডোজের জন্য তৈরি হতে হবে। একটা আইডি কার্ডের মতো থাকতে হবে কারা করোনার ভ্যাকসিনটা নিল। এটা দেখিয়ে দ্বিতীয় ডোজটা নিতে হবে এবং সেই আইডেনটিটিটা তাদের কাছে থেকে যাবে, তাহলে কেউ বিদেশে গেলে তারা যে করোনার ভ্যাকসিন নিয়েছে তার প্রমাণটা থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকা নেওয়ার বিষয়ে গ্রামাঞ্চলে মানুষের মাঝে এখনো একটু দ্বিধা থাকলেও সেটা চলে যাবে, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, ‘করোনার টিকার সেকেন্ড ডোজের জন্য আট থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। লন্ডনে সেভাবেই করা হচ্ছে। এ জন্য ১৫ দিনের মধ্যে সেকেন্ড ডোজের টিকা যে নিতে হবে তা নয়, অন্তত তিন মাস পর্যন্ত এ কার্যকারিতা থাকে, সেকেন্ড ডোজ নেওয়া যায়। আমরা চাচ্ছি দ্রুতই সেকেন্ড ডোজটা দিয়ে দেওয়ার। আমি বলেছি, এক মাস বা দুই মাসের মধ্যে সেকেন্ড ডোজ দিয়ে এগুলো শেষ করার। কারণ ভ্যাকসিনের যেন ডেট পেরিয়ে না যায় সেটাও দেখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন বাহিনী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য টিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে এসে তাদের দ্রুত টিকা দিয়ে দিতে হবে। সারা দেশের যত পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন, তাঁদের সবাইকে এই টিকা দিতে হবে। যাঁরা ফ্রন্টলাইনার তাঁদের আগে দিতে হবে। এর মধ্যে চিকিৎসক বা চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত যাঁরা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী এবং যাঁরা এই কভিড মোকাবেলায় সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের আগে দিচ্ছি।’

মন্ত্রিপরিষদসচিব জানান, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত ছাড়া ৫৫ বছরের নিচের কোনো সাধারণ নাগরিক টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারতেন না। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন ৪০ বছর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কেউ যদি রেজিস্ট্রেশন করতে ব্যর্থ হন, তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা দিতে পারবেন, সেই ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে চেক করা হবে তিনি কেন রেজিস্ট্রেশন করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডাক বাংলা

Theme Customized BY LatestNews