1. admin@doinikdakbangla.com : Admin :
পর্তুগালে বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে করোনার হানা » দৈনিক ডাক বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন

পর্তুগালে বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে করোনার হানা

উপ-সম্পাদক, শহীদ আহমদ
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬৮৯ বার পঠিত
Rua do benformoso

করোনা মহামারির শুরুতে ইউরোপের দেশ পর্তুগালে করোনা মহামারি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকলেও দ্বিতীয় ধাপে করোনা হানা দিয়ে একের পর এক পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে যাচ্ছে।

প্রথমধাপে একদিনে সর্বাচ্চো করোনা আক্রন্ত ছিলো ১০ এপ্রিল ১৫,১৬ জন। কিন্তু দ্বিতীয় ধাপে এসে তা প্রতিদিন ই তিন চার গুন আকারে আক্রন্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।গতকাল ৭ নভেম্বর রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রন্তের সংখ্যা ছিলো ৬,৬৪০ জন।

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা মন্ত্রিসভার সভার বৈঠক শেষে ৯ নভেম্বর থেকে ২৩ শে নভেম্বর পর্যন্ত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। সে মোতাবেক পূর্বঘোষিত ১২১ টি মিউনিসিপ্যালিটিতে প্রতিদিন রাত ১১ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে, এবং ছুটির দিনে দুপুর ১টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে। এই সময়ে নির্দিষ্ট জরুরি কারণ ছাড়া রাস্তায় চলাচল করা যাবে না। এটি কার্যকর হবে আগামী ৮ই নভেম্বর মধ্যরাতের পর থেকে অর্থাৎ ৯ ই নভেম্বর রাত ১২ টা থেকেই।

আন্তোনিও কস্তা আরো বলেন, জরুরি অবস্থার মধ্যে কাজে যোগদান, পারিবারিক সহযোগিতা, ফার্মেসি অথবা স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ সহ জরুরী যে সকল স্বাভাবিক কার্যকলাপ আছে এগুলোর ক্ষেত্রে কোন প্রকার বাধা নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু রেস্টুরেন্ট রাত ১০.৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সেহেতু সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আরোপিত কারফিউ এর মধ্যে খাবারের ডেলিভারি চালু থাকবে। রেস্টুরেন্টে কোনো প্রকার খাবার পরিবেশন করা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী করোনা সংক্রমনের বাহনের একটি ছকের বিশ্লেষণ প্রদান করেন এতে তিনি ব্যাখ্যা করেন, ৬৮% সংক্রমণ পরিবার থেকে, ১২% কর্মসংস্থান থেকে, ৮% বৃদ্ধাশ্রম/দুস্ত সেবা কেন্দ্র, ৩% বিদ্যালয়, ১% সামাজিক এবং স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র থেকে সংক্রমিত হচ্ছে। সুতরাং পারিবারিক চলাচল কিছুটা রোধ করা গেলে সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হবে।

সূত্রমতে করোনার দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে করোনার আক্রন্তের হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।গত দু দিন পর্বে লিসবনের করোনা আইসোলেশন সেন্টার থেকে করোনা পজেটিভ রোগী ১৪ দিনের আইসোলেশন শেষে সুস্হ হয়ে বের হয়ে দৈনিক ডাক বাংলা ডটকমকে বলেন যে,আইসোলেশন সেন্টারে প্রায় বিশ থেকে ত্রিশজন বাংলাদেশী করোনা আক্রন্ত রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে দু চার জন মহিলাও রয়েছেন বলে জানান।

এমতাবস্থায় কমিউনিটির প্রবীণ ব্যক্তিদের অনুরোধ এখনও যারা বেপরোয়া অযথা রাস্তা ঘাটে হোটেল রেস্তোরায় দল বেধে চলাফেরা করছেন।দয়া করে নিজের এবং ফ্যামেলীর কথা চিন্তা করে।এই মহামারির সময় অযথা আড্ডা বন্ধ করে।সরকারের দেওয়া যাবতীয় আইন কানুন মনে চলা ফেরা করার জন্যে ।

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডাক বাংলা

Theme Customized BY LatestNews