ঢাকারবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

বিশ্বনাথে নুরুল খুনের ঘটনা তদন্তে পিবিআই`র ধীরগতির অভিযোগ!

নিজস্বপ্রতিনিধি,দৈনিক ডাক বাংলা ডটকম
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ ৬:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সিরাজপুর গ্রামে মাদ্রাসা ছাত্র নুরুল আমীন হত্যা মামলাটি তদন্তে পিবিআই`র ধীরগতির অভিযোগ করেছেন মামলার বাদি নিহতের ভাই মঞ্জুরুল আমীন।

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় লজিং বাড়িতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছিলেন মাদ্রাসাছাত্র হাফিজ নুরুল আমীন ওরফে লাইস মিয়া। সে বিশ্বনাথ কামিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী ও পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসী গ্রামের মৃত সজ্জাদ আলীর ছেলে।

মামলার বাদি মঞ্জুরুল আমীন বলেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখে মামলার তদন্তকারী অফিসার আওলাদ হোসেন আমাকে ও আমার বড় ভাই রুহুল আমিন রুয়েলকে ফোন করে বলেন সকাল নয়টা থেকে দশটার ভিতরে সিরাজপুর থাকার জন্য,তিনি আমাদের বলেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসবেন।আমরা ঘটনাস্থলে দুপুর ১ ঘটিকা পর্যন্ত থাকার পর আমাদের ফোনে আওলাদ হোসেন আমাদের বলেন আজকে পরিদর্শনে আসা সম্ভব হচ্ছে না,অন্যদিন আসবো, আপনারা চলে যান।

নিহত নুরুল আমীনের বড় ভাই রুহুল আমিন রুয়েল প্রতিবেদককে বলেন মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর পিবিআই এর অফিসার আওলাদ হোসেন খুব তৎপর থাকলেও ১ম দিন আসামীদের বাড়ি পরিদর্শনের পর অদৃশ্য কারনে তৎপরতা কমে গেছে বলে মনে হচ্ছে ।

সিরাজপুর এর স্থানীয় মেম্বার মামুন আমাদের বলেছিলেন থানা পুলিশ বলেন আর পিবিআই বলেন এগুলো দিয়ে কিছুই হবেনা।আসামি পক্ষের টাকা আছে।আমাদের মনে হচ্ছে মেম্বার মামুনের কথাই সঠিক।প্রয়োজনে আমরা সিলেটের ডিআইজি মহোদয় সহ উর্ধ্বতম মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো,আমার ভাইয়ের খুনের আসল রহস্য উন্মোচন এর জন্য।

রুহুল আমিন বলেন‘এই খুন কিশোর ছেলে রাতুলের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তার সঙ্গে অন্তত আরও দুই তিন জন খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

উল্লেখ্য গত ৮ই এপ্রিল মধ্যরাতে সদর ইউনিয়নের পুরান সিরাজপুর গ্রামের সেলিম মিয়ার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।

তার বুক, পেট ও পায়ে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে গৃহকর্তা সেলিম মিয়া, হেলাল মিয়া, ও কিশোর ছেলে আশফাক আহমদ রাতুলকে আটক করেছিল বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। পরে রাতুলকে আটক রেখে সেলিম মিয়া ও হেলাল মিয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

নিহত মাদ্রাসা ছাত্রের ভাই রুহুল আমিন জানান দীর্ঘ চার বছর ধরে গ্রামের সেলিম মিয়ার বাড়ীতে লজিং থাকতো আমার ভাই নুরুল আমীন। লজিং পরিবর্তনের জন্যে তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তা চেয়েছিলো সে। শবে বরাত শেষে ওখান থেকে অন্যত্র চলে যাবার কথা ছিলো তার। সেলিম মিয়ার ভাই লন্ডন প্রবাসী বেলাল মিয়া ও তার মা বিভিন্ন কৌশলে শবেবরাত পর্যন্ত তাদের বাড়িতে রাখেন । বেলাল মিয়া ঘন ঘন নুরুলের কাছে ফোন করে বলতো হুজুর আপনে এত দিন আমার বাড়িতে ছিলেন আমার অনুরোধ শবেবরাত পর্যন্ত থাকেন তার পর যেখানে খুশি চলে যান। শবেবরাত দিন রাতেই আমার ভাই নুরুল আমিনকে পরিক্ষল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

মামলার প্রসঙ্গে পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিবিআই) উপ-পরিদর্শক আওলাদ হোসেন বলেন,বিষয়টি তদন্তাধীন আছে,তদন্ত শেষে সব কিছু জানা যাবে।এর আগে কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়।