ঢাকাশুক্রবার , ১৭ জুলাই ২০২০
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

সাবরিনা-আরিফের ঝগড়াঝাঁটিতে বিরক্ত গোয়েন্দা কর্মকর্তারা

অনলাইন ডেস্ক, দৈনিক ডাক বাংলা ডটকম
জুলাই ১৭, ২০২০ ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর মিন্টো রোডের গোয়েন্দা দফতরে রিমান্ডে থাকা ডা. সাবরিনা এবং তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর ঝগড়াঝাঁটিতে বিরক্ত গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। যখনই সাবরিনার সামনে আরিফকে নিয়ে আসা হচ্ছে, তখনই একজন আরেকজনকে দোষারোপ করছিলেন। তুমি থেকে একপর্যায়ে তুই তাকারিতে চলে যাচ্ছিল তাদের এই ঝগড়া। সাবরিনা যখন বলছিলেন, তুই আমার জীবন, ক্যারিয়ার, চাকরি-সব শেষ করে দিয়েছিস। তখন আরিফ বলেন, তোর বুদ্ধিতেই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার কাজ নিয়েছিলাম। জেকেজির চেয়ারম্যান হয়ে তুইতো ব্যবসার টাকা আর বেতনও নিয়েছিস।

গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, যখনই তাদের কোনো তথ্য যাচাইয়ে মুখোমুখি করা হয়, তখনই দুজনে ঝগড়াঝাঁটি শুরু করে দেন। তাদের বারবার থামাতে হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নমুনা পরীক্ষার জালিয়াতির কথা আরিফ স্বীকার করেছে। সাবরিনাও জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি কবুল করেছেন। আজ শুক্রবার সাবরিনাকে আদালতে হাজির করে প্রয়োজনে ফের রিমান্ডের আবেদনও করা হবে।

সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সাবরিনা বলেছে, জেকেজি ও ওভাল গ্রুপের অনেকেই এই দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত। তবে তিনি আরিফ চৌধুরীকেই দোষারোপ করেছেন বারবার। তার দাবি এসব কারণে তিনি তাকে ডিভোর্সও দিয়েছেন। তবে আরিফ বলেছেন, সাবরিনার কারণে এই অপকর্মে জড়িয়েছেন তিনি।

সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে নমুনা পরীক্ষার নামে জালজালিয়াতিতে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের অপকর্মে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বাচিপের নেতাসহ এদের সংখ্যা পাঁচ থেকে সাতজন। তারা জানতেন, সাবরিনা এবং আরিফের ওভাল গ্রুপ একটি নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। এরপরও স্বাস্থ্যের সব ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কাজ বাগিয়ে নিতে সহযোগিতা করতেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এসব সহযোগিতায় ওইসব কর্মকর্তাদের কী ধরনের স্বার্থ জড়িত ছিল, তা নিয়েও তদন্তে নেমেছে ডিবি পুলিশ।

গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, গত ১৪ ও ১৫ জুলাই ওভাল গ্রুপের গুলশান অফিসে তল্লাশি চালিয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে মাসে মাসে বেতন নিতেন। বেতনের স্লিপও পাওয়া গেছে। এরকম তিনটি বেতনের স্লিপ তাদের হাতে রয়েছে। জেকেজি থেকে সাবরিনা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা করে নিতেন।

সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়্যারম্যান হয়ে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ভঙ্গ করায় ইতিমধ্যে সাবরিনাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত ২৩ জুন আরিফুলকে গ্রেফতার করার পর তার স্ত্রী সাবরিনাকে গ্রেফতার করা হয় গত ১২ জুলাই।