ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ জুলাই ২০২০
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

দেশের ভুয়া করোনা সার্টিফিকেট প্রবাসে কি ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে?

স্টাফ রিপোর্টার, মনির হোসেন
জুলাই ১৪, ২০২০ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

করোনা ভাইরাস এর কারণে ইতালির অবস্থা ছিল অত্যান্ত সূচনীয়,যা এখন দিনদিন অনেকাংশে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

যারই ধারাবাহিকতায় ইতালী সরকার সেখানে আস্তে আস্তে লকডাউন খুলে সকল অফিস আদালত ব্যবসা বাণিজ্য পর্যায়ক্রমে খুলে দিচ্ছে।এবং বিভিন্ন দেশের সাথে সিমিত আকারে ফ্লাইট চালু করেছে।

ইতিমধ্যে আমরা জানি যে গত ৯ জুলাই ১৬৮ জন যাত্রী নিয়ে ইতালীর উদ্দেশ্য কাতার ইয়ার ওয়েজ এর একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে-দোহা এবং দোহা থেকে ইতালীর রোমে গিয়ে পৌছে।

অত্যান্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশী নাগরিক ছাড়া সবাই কে বিমান থেকে নামতে দেওয়া হয়!

এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের করোনা সন্দেহে ইতালীতে প্রবেশের অনুমিতি না দিয়ে ইতালি থেকে কাতার এয়ার লাইন্স বিমানেই আবার ফেরৎ পাঠানো হয়।

এ নিয়ে ইতালির প্রথম সারির গণমাধ্যম,বিবিসি বাংলাসহ বিশ্বের প্রভাবশালী মিডিয়াগুলো বেশ ফলাও করে নিউজ প্রকাশ করে।

ফলে গোটা ইউরোপজুড়ে বাংলাদেশের অনেক সুনাম নষ্ট হয়েছে।

যার প্রভাব ইতিমধ্যেই ইতালিতসহ অন্যান্য দেশ গুলোতে পরতে শুরু করেছে।

কতিপয় অসাধু ব্যাবসায়ীর ব্যাক্তিগত মুনাফা অর্জনের লক্ষে তারা এসব ভুয়া করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট জালিয়াতী করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেলও। যা পরর্বতিতে সেই সকল উন্নত দেশগুলোতে ধরা পরে যায় তারা করোনা পজেটিভ।

ইতিমধ্যে আমরা জানতে পেরেছি, বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা অনেকই সেখানে হেনেস্তার শিকার হচ্ছেন। গতকাল মধ্যবয়সী এক বাংলাদেশী ইতালিতে ফুল বিক্রি করার জন্য বের হন। ইতালিয়ান দুই যুবক এসে বাংলাদেশী জানতে পেরে তার সাথে খুব খারাপ ভাষা ব্যবহার করে এবং একটা সময় পানিতে ফেলে দেয়, পরবর্তীতে পুলিশ এসে উনাকে উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় দেয়।

আমরা জানি করোনা ভাইরাসের কারণে ইতালিসহ পুরো ইউরোপ জুড়ে কাজের সংকট দেখা দিয়েছে এবং বেকারত্ব হার বেড়ে শতকরা ৮০% গিয়ে দাড়িয়েছে ।

আমার মনে হয় আগামীতে যে সমস্যা গুলোর সম্মুখিন হতে পরেন বাংলাদেশীরা যেমন, বিভিন্ন ধরনের কাজের সন্ধানে বের হয়ে যখনই সিভি জমা দিবেন। তখন তারা বাংলাদেশী নাগরিক জেনে অন্য চোখে দেখবে! যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেকটা সেক্টরেই বাংলাদেশীরা ভোগান্তির শিকার হবে।

এতোদিনে বাংলাদেশীরা কাজ করে যে সুনাম এবং আস্তা অর্জন করেছিলেন।কতিপয় লোকের জন্যে আজ নিমিষেই শেষ হয়ে গেলে! তা ফিরে পেতে হলে একযোগ সময়েও হবে কি না সন্দেহে!

যারা এই অপরাধের সাথে জড়িত আমরা প্রবাসীরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার এর দাবী জানাচ্ছি এবং বিদেশের মাটিতে দেশের সুনাম ফিরিয়ে আনার জন্যে কুটনৈতিকভাবে আরো জোরালো আলোচনার দাবী করছি।