ঢাকাশুক্রবার , ১২ জুন ২০২০
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

শুরুর দিনেই জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং মল

Link Copied!

করোনাভাইরাস আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। প্রতিদিনই সড়কে বাড়ছে সাধারণ মানুষের চলাচল। ঢাকায় করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা শুরুর দিকে বেশি থাকলেও এখন সেটা কমছে। এরই মধ্যে খুলেছে রাজধানীর ছোট-বড় বিপণিবিতানগুলো। ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে দীর্ঘ ৮০ দিন পর গতকাল শুক্রবার খুলেছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় শপিং মল বসুন্ধরা সিটি। এর আগে গত ২৫ মার্চ থেকে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির পর বন্ধ করা হয় আন্তর্জাতিক মানের বিপণিবিতানটি। গতকাল খোলার প্রথম দিনেই হিমশিম খেতে হয়েছে দোকানিদের। ক্রেতা চাহিদা বেশি থাকায় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নাকাল হতে হয়েছে দোকানি ও নিরাপত্তাকর্মীদের।

জানতে চাইলে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের মানবসম্পদ-প্রশাসন-নিরাপত্তা বিভাগের ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক মেজর (অব.) মোল্লা মুশতাক রেজা গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজকে অনেক ভিড় ছিল। অনেক দিন কেনাকাটা না করায় মানুষের চাপ বেশি হয়েছে। তাই সামলাতে একটু কষ্ট হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানানোর চেষ্টা করেছি। এর পরও দোকানগুলো পুরোপুরি ব্যবস্থা করতে পারেনি। মূলত ক্রেতারাই আসলে মানেনি বলা চলে। আশা করছি, সামনের দিনে পুরোপুরি ঠিকভাবে চালানো যাবে।’
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে বসুন্ধরা সিটির বাইরে ক্রেতাদের লম্বা লাইন চোখ আটকাল। শপিং মলের সামনে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো। ফটকের সামনে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাত

ধুয়ে নিচ্ছে। হাত ধোয়ার পর মাপা হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা। এরপর ডিস-ইনফেকশন টানেলের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে বসুন্ধরা সিটিতে। সুরক্ষার জন্য গ্লাসের ফটকের সামনে দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, বসুন্ধরা সিটিতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে লিফট বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সবাই চলন্ত সিঁড়ি ব্যবহার করছে। সেখানেও মানানো হচ্ছে শারীরিক দূরত্ব। ক্রেতা-বিক্রেতারা সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
গতকাল শুরুর দিন কাপড় ও মোবাইল ফোনের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেশি দেখা গেছে। তা ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানগুলোতেও ক্রেতা চাহিদা ছিল বেশ। তৃতীয় তলায় প্লাস পয়েন্টে পোশাক কিনছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসাইন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন,‘রোজার ঈদে কেনাকাটা হয়নি। ভাইরাসের কথা ভেবে বের হইনি। দীর্ঘদিন পর মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছে দেখে সাহস পেলাম। বসুন্ধরায় আসার কারণ একটাই, এখানে নিরাপদে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যাবে। আর বসুন্ধরায় কেনা পণ্যের মান নিয়ে সংশয় থাকে না।’

প্রথম তলার মোবাইল ফোন দোকানি আফসার হাওলাদার বলেন, ‘অনেক দিন মানুষ কেনাকাটা না করায় শুরুর দিনে চাপ একটু বেশি ছিল। আশা করি, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঠিক হয়ে যাবে।’