1. admin@doinikdakbangla.com : Admin :
করোনায় আক্রান্ত স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীও জোর করে আইসোলেশন ইউনিটে.. » দৈনিক ডাক বাংলা
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

করোনায় আক্রান্ত স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীও জোর করে আইসোলেশন ইউনিটে..

প্রতিনিধি, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০
  • ১০১ বার পঠিত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে রোগীদের আইসোলেশনে রাখার নিয়ম করা হয়েছে। আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া রোগীর কাছে কেউ যেতে পারবেন না। কিন্তু জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের এক ব্যক্তি এই নিয়ম মানছেন না। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকার পরও তিনি উপজেলার গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়া তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন। চিকিৎসকেরা অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে সেখান থেকে সরাতে পারেননি।

গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ইউনিটে আরও একটি অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে। এই ইউনিটের দ্বিতীয় তলায় ভর্তি থাকা এক তরুণী তৃতীয় তলার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। অথচ তাঁদের এখানে রাখা হয়েছে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। অনেকবার নিষেধ করার পরও আইসোলেশনে থাকা ওই যুবক ও তরুণী দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। ওই দুটি ঘটনার বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন এখানে দায়িত্ব পালনকারী কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহিন রেজা।

এ বিষয়ে গতকাল বুধবার রাত ১১টা ১৪ মিনিটে চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহিন রেজা তাঁর ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ওয়ার্ডের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্ত্রীকে একা আইসোলেশন ইউনিটে যেতে দেননি স্বামী। সঙ্গে তিনিও রয়ে গেছেন। এদিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডের দ্বিতীয় তলায় থাকা তরুণী এবং তিনতলায় থাকা এক যুবক প্রেম করছেন।

ফেসবুকে এই পোস্ট দেওয়ার সত্যতা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসক শাহিন রেজা। তাঁর ওই পোস্ট দেখে কেউ কেউ মন্তব্যও করেছেন।

গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন ইউনিটের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, ‘বুধবার করোনায় আক্রান্তু নারীকে আইসোলেশনে আনা হলে তাঁর স্বামী সঙ্গে আসেন। তাঁরা একই সঙ্গে আইসোলেশনে থাকতে চান। বিব্রতকর পরিস্থিতিতে তাঁদের আইসোলেশনে পাঠাতে বাধ্য হয়েছি।’

এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন সেলিম মিঞা বলেন, করোনায় আক্রান্ত এক নারীকে আইসোলেশন ইউনিটে আনা হলে তাঁর স্বামী তাঁর সঙ্গে ঢুকে পড়েন। স্বামীকে আইসোলেশন থেকে বের করে আনার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আইসোলেশনেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যদি কেউ নিয়ম না মেনে চলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডাক বাংলা

Theme Customized BY LatestNews