ঢাকাবুধবার , ৬ মে ২০২০
  1. International
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উৎসব
  6. খেলাধুলা
  7. চাকুরী
  8. জাতীয়
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম
  11. পরামর্শ
  12. প্রবাস
  13. ফরিদপুর
  14. বিনোদন
  15. বিয়ানীবাজার

নব মুসলিম থেকে শায়খুল হাদীস..

Link Copied!

মাওলানা মুহি উদ্দীন মাসুম (৪২) ১৯৯৫ সালে স্বেচ্ছায় পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে তাঁর নাম ছিলো দ্বীপক কুমার দাশ। পিতা দেব ব্রত দাশ। গ্রাম মাধবপুর, উপজেলা নবীগঞ্জ, জেলা হবিগঞ্জ, বাংলাদেশ। জন্ম ১ লা অক্টোবর ১৯৭৭ ইং। তিনি নবীগঞ্জ মাধবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারি স্কুলে সমাপনী পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছেন। বাগাউড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জুনিয়র বৃত্তি পেয়েছেন। সিলেটের এম সি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইস এস সি সম্পূর্ণ করেন। এরপর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্টান জামিয়া মাদানীয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর থেকে বৃত্তি-মমতাজ পেয়েছেন। ইবতেদায়ী ৫ম বর্ষ থেকে জালালাইন জামাত পর্যন্ত মাদ্রাসায় মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জন করেন। সিলেট দারুল উলুম দেউলগ্রাম থেকে মিশকাত স্নাতক এবং ঢাকা উত্তর জামিয়া দ্বীনিয়া আসআদুল উলুম রামদা মাদ্রাসা থেকে ২০০৩ সালে তাকমিল ফিল হাদীস দাওরায়ে হাদীস স্নাতকোত্তর স্বনামের সহিত সম্পূর্ণ করেন। এরপর থেকে কর্মজীবন শুরু ২০০৬ থেকে সিলেট চন্দগ্রাম দুধাইর পাতন মহিলা মাদরাসায় বুখারী প্রথম খণ্ড সহ অন্যান্য কিতাবের দরস দিয়ে আসছেন অদ্যবধি। এবং ২০১৮ সাল থেকে জামিয়া নাজাতুল উম্মাহ সিলেটের ছানী শায়খুল হাদীস ও শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দাম্পত্য জীবনে মাওলানা মহিউদ্দিন মাসুম সাহেবের দুই মেয়ে দুই ছেলের পিতা। দুধাইর পাতন বিয়ানী বাজারের জনাব হাফিজ আব্দুল গাফফার রহ: এর মেয়ে ও জামিয়া আঙ্গুরার শায়খুল হাদীস মুফতি মুজিবুর রহমান এর বোনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সাংগঠনিকভাবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাথে সক্রিয় রয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে চলে যাওয়া এটাই জীবনের শেষ ইচ্ছে। উনার বাবা ২০০৬ সালে মৃত্যু বরণ করেন। মা জননী আজও বেঁচে আছেন। একমাত্র বোন বিবাহিত। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে মাওলানা মহিউদ্দিন মাসুম মাধ্যম। অপর দুই ভাই বর্তমান উমান প্রবাসী। উভয়জনই বিবাহিত। তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে পারায় একমাত্র মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সম্ভব হয়েছে বলে হৃদয়চিত্রে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সংগ্রামী এই আলেমে দ্বীন গত ২০১৭ সালে হাইয়াতুল উলয়িয়ায় পূর্ণবার কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় তাকমিল ফিল হাদীসে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে মুমতাজ প্রাপ্ত হন। উনার সাথে আলাপকালে জানান অর্থনৈতিকভাবে অবস্থা মোটামুটি আল্লাহর রহমতে ভালোই রয়েছে।তিনির কাছের কিছু বন্ধু বান্ধব র থেকে জানতে পারলাম পাঁচ ওয়াক্ত জামাতের সহিত মসজিদে নামাজ আদায়.সব সময় কিতাব নিয়ে মুতালায় ব্যস্ত. কারো ব্যাপারে কোন দিন গীবত করতে অভ্যস্ত নয়।সপ্তাহে ২/৩ দিন রোযা রাখতে দেখি। উনি একজন আল্লাহ ওয়ালা আমাদের প্রিয় বন্ধু! বর্তমানে সিলেট বিয়ানীবাজার স্বপরিবারে অবস্থান করে মাদরাসায় সর্বচ্ছ ক্লাস দাওরায়ে হাদিস বুখারী শরিফের দরস অত্যান্ত দক্ষতার সাথে দিয়ে আসছেন।