1. admin@doinikdakbangla.com : Admin :
৬৪ ডিসিকে ৪ নির্দেশনা: প্রস্তাবিত ধান-চাল সংগ্রহ চ্যালেঞ্জিং » দৈনিক ডাক বাংলা
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন

৬৪ ডিসিকে ৪ নির্দেশনা: প্রস্তাবিত ধান-চাল সংগ্রহ চ্যালেঞ্জিং

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ মে, ২০২০
  • ৪৯ বার পঠিত

করোনার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে চ্যালেঞ্জিং মনে করছে সরকার। তাই এই বিষয়ে খাদ্য সচিব নাজমানারা খানুম সবকটি জেলার ডিসিদের সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। এতে চারটি বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। এবার মোট  সোয়া ২২ লাখ মেট্রিকটন ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার।

ডিসিদের কাছে দেওয়া চিঠিতে খাদ্য সচিব বলেন, কৃষক নয় এমন ব্যক্তি যাতে তালিকাভুক্ত না হন। অন্য কোন মধ্যস্বত্বভোগী যাতে সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করতে না পারে।  কৃষকের অ্যাপ ব্যবহার করে ধান বিক্রি করতে পারে সেই জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা ও কৃষক নিবন্ধন এর সহায়তা প্রদানের জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তাদের নির্দেশনা প্রদান করবেন ডিসিরা। এছাড়া চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে মিলের প্রকৃত ছাঁটাই অনুযায়ী বরাদ্দ বিভাজন মিলারদের সাথে চুক্তি করতে হবে। সেইসঙ্গে সরকারি গুদামে চাল প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সার্বিক সহায়তা করবে জেলা প্রশাসন।

সরকার এই খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে। কৃষি মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ের কৃষকের একটি তালিকা খাদ্য মন্ত্রণালয়কে সরবরাহ করে। খাদ্য মন্ত্রণালয় ওই তালিকা থেকে এলাকাভিত্তিক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে লটারি করে। লটারিতে যেসব কৃষকের নাম উঠে তারাই সরকারের কাছে নির্ধারিত দামে নির্ধারিত পরিমান ধান, চাল ও গম বিক্রি করতে পারে। আর স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এই কাজে সার্বিক সহযোগিতা করে জেলা প্রশাসন। এবার করোনা পরিস্থিতি থাকার কারণে জেলা প্রশাসন নানান কাজে ব্যস্থ। তারপরও খাদ্য সংগ্রহ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার কার্যক্রম হওয়ায় এখানে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে কারণে ডিসিদের পৃথক চিঠি দিয়েছেন খাদ্যসচিব নাজমানারা খানুম।
সরকারের লক্ষ্যমাত্রা সোয়া ২২ লাখ খাদ্যশস্য। এর মধ্যে ২৬ টাকা কেজি দরে ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান, ৩৬ টাকা কেজি দরে ১০ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে দেড় লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ২৮ টাকা কেজি দরে ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গম কেনা হবে। তবে সরকারি গুদামে জায়গা খালি থাকা সাপেক্ষ্যে খাদ্য-শস্য সংগ্রহ আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে সরকারের।

প্রতি বছর জেলা পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংগ্রহে স্থানীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ডিসিরা । এ বিষয়ে খাদ্যসচিব নাজমানারা খানুম কালের কণ্ঠ’কে বলেন,ডিসিরা সব সময়েই খাদ্যশস্য সংগ্রহতে নেতৃত্ব দেন। এবার করোনা পরিস্থিতির কারনে তাদের ব্যস্থতা অনেক বেড়েছে। তারপরও খাদ্যশস্য সংগ্রহের বিষয়টিতে যেন তারা অন্যবারের মতো গুরুত্ব দেন সে বিষয়টি মনে করিয়ে দিতেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করি সমস্যা হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডাক বাংলা

Theme Customized BY LatestNews